October 11, 2026, 4:00 pm

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর সীমান্ত দিয়ে ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের দুটি পৃথক চেষ্টা প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রোববার সকালে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) এসব চেষ্টা বিজিবির সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বাধায় ব্যর্থ হয়।
মেহেরপুরের গাংনী সীমান্ত দিয়ে চার নারী ও দুই পুরুষসহ ছয়জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। রোববার ভোরে গাংনী উপজেলার রংমহল সীমান্তের ১৩৭ নম্বর পিলার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধিনায়কের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভারতের দিঘলকান্দি বিএসএফ ক্যাম্পের কমান্ডার হিম্মত সিংয়ের নেতৃত্বে বিএসএফ সদস্যরা ওই ছয়জনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করেন।
বিষয়টি টের পেয়ে রংমহল বিজিবি ক্যাম্পের একটি টহল দল স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় প্রতিরোধ গড়ে তোলে। একপর্যায়ে বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে বিএসএফ সদস্যরা পিছু হটেন। সকাল ৮টার দিকে তাঁরা ওই ছয়জনকে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যান।
কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, সীমান্তে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং কোনোভাবেই পুশইন গ্রহণযোগ্য নয়। এ সময় তিনি সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
গাংনী সীমান্তে এটি দুই দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় পুশইনের চেষ্টা বলে জানা গেছে। এর আগে উপজেলার শেওড়াতলা সীমান্ত দিয়ে চারজনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত দিয়েও চার ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করেছে বিজিবি।
বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রোববার সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটের দিকে ঠোটারপাড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১৫৩/৯-এস থেকে প্রায় ৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে। ভারতের ১৪৬ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের উদয় কিষাণ ক্যাম্পের সদস্যরা দুই পুরুষ ও দুই নারীকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করেন। তাঁদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বিজিবির সতর্ক অবস্থান ও তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কারণে ওই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে সকাল ৮টার দিকে চারজনই ভারতের অভ্যন্তরে ফিরে যান।